এস এম রফিক সিনিয়র ষ্টাফ রিপোর্টার
যুগান্তকারী পদক্ষেপ
বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে এক নতুন ইতিহাসের সূচনা করলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক। খেলোয়াড়দের আর্থিক নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করতে একের পর এক যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত নিয়ে ইতোমধ্যেই ক্রীড়ামহলে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে তিনি।প্রথম ধাপে ১২৯ জন খেলোয়াড়কে মাসিক এক লাখ টাকা করে ক্রীড়া ভাতা প্রদান করা হয়েছে, যা ধাপে ধাপে বাড়িয়ে ৫০০ জনে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। দীর্ঘদিনের অবহেলা কাটিয়ে খেলোয়াড়দের পাশে দাঁড়ানোর এই উদ্যোগকে ক্রীড়াঙ্গনের ইতিহাসে ‘গেম চেঞ্জার’ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
শুধু ভাতাই নয়, আন্তর্জাতিক অঙ্গনে সাফল্য বয়ে আনা খেলোয়াড়দের জন্যও ঘোষণা করা হয়েছে আকর্ষণীয় পুরস্কার। ব্যক্তিগতভাবে স্বর্ণজয়ীরা পাচ্ছেন ৩ লাখ টাকা, রৌপ্যজয়ীরা ২ লাখ এবং ব্রোঞ্জজয়ীরা ১ লাখ টাকা। অন্যদিকে দলগত অর্জনের ক্ষেত্রেও স্বর্ণে ২ লাখ, রৌপ্যে দেড় লাখ এবং ব্রোঞ্জে ১ লাখ টাকা প্রদান করা হচ্ছে—যা খেলোয়াড়দের মনোবল বহুগুণে বাড়িয়ে দেবে বলে মনে করছেন ক্রীড়া বিশ্লেষকরা।এর পাশাপাশি চালু করা হয়েছে ‘ক্রীড়া কার্ড’ যার আওতায় খেলোয়াড়রা বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এই উদ্যোগ খেলোয়াড়দের পেশাগত জীবনকে আরও নিরাপদ ও সম্মানজনক করে তুলবে। ক্রীড়াঙ্গনে দীর্ঘদিনের স্থবিরতা ভেঙে এমন সাহসী ও বাস্তবমুখী পদক্ষেপ নেওয়ায় প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে ঘিরে তৈরি হয়েছে নতুন আশার আলো। সংশ্লিষ্টদের মতে, এটি কেবল শুরু—তার সুদূরপ্রসারী পরিকল্পনাগুলো বাস্তবায়ন হলে দেশের ক্রীড়াক্ষেত্রে এক অভূতপূর্ব পরিবর্তন আসবে। বিশ্লেষকদের ভাষ্য, “আমিনুল হকের খেলা এখনো শুরু মাত্র তার পরিকল্পনার পুরো বাস্তবায়ন হলে বাংলাদেশের ক্রীড়াঙ্গনে হতাশা নয়, সৃষ্টি হবে সাফল্যের নতুন ইতিহাস।”