মোঃ বাসার ষ্টাফ রিপোর্টার
ঈদের আনন্দ শেষ, এবার কর্মস্থলে ফেরার পালা। কিন্তু সেই ফেরাই যেন হয়ে উঠেছে দুর্ভোগের আরেক নাম। ভোলা বিশ্বরোড থেকে ছেড়ে আসা কর্ণফুলী-১২ লঞ্চে সিট না পেয়ে চরম ভোগান্তিতে পড়ছেন শত শত যাত্রী। অতিরিক্ত যাত্রীচাপ আর অব্যবস্থাপনার কারণে নৌপথে যাত্রা এখন যেন এক প্রকার যুদ্ধের সমান হয়ে দাঁড়িয়েছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, লঞ্চ ছাড়ার আগেই ঘাটে উপচে পড়া ভিড়। অনেক যাত্রী ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা করেও পাচ্ছেন না নির্ধারিত সিট। কেউ ডেকে, কেউবা সিঁড়িতে দাঁড়িয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়েই যাত্রা করছেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে আসা যাত্রীরা পড়েছেন সবচেয়ে বেশি বিপাকে।
যাত্রীদের অভিযোগ, অতিরিক্ত টিকিট বিক্রি করলেও সিটের কোনো নিশ্চয়তা নেই। প্রশাসনের নজরদারির অভাব আর লঞ্চ কর্তৃপক্ষের উদাসীনতায় এই দুর্ভোগ চরমে পৌঁছেছে। অনেকেই ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “ঈদের সময় বাড়তি ভাড়া নিলেও সেবার মান একেবারেই নেই।”
এদিকে, নৌপরিবহন সংশ্লিষ্টদের দাবি—যাত্রীচাপ সামাল দিতে অতিরিক্ত লঞ্চ চালানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। তবে বাস্তবে তার কোনো কার্যকর প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না বলে অভিযোগ যাত্রীদের।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ঈদ মৌসুমে যাত্রীচাপ সামাল দিতে আগাম পরিকল্পনা ও কঠোর মনিটরিং ছাড়া এ ধরনের ভোগান্তি থেকে মুক্তি সম্ভব নয়।
শেষ কথা:
ঈদের আনন্দ শেষে কর্মস্থলে ফেরার এই যাত্রা যদি এমন দুর্ভোগে পরিণত হয়, তবে প্রশ্ন উঠছে—কবে মিলবে স্বস্তির নিরাপদ নৌযাত্রা?