• মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১১:৪১ পূর্বাহ্ন
  • [gtranslate]

ক্রীড়াঙ্গনে কাজের প্রস্তাব ফেনীর সেই শিক্ষিকাকে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে খোঁজ নিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী:  

Reporter Name / ১৮৯ Time View
Update : বৃহস্পতিবার, ২৮ মে, ২০২৬

 

 

নিজস্ব প্রতিবেদক, ২৮ মে, ঢাকা।

 

মাঠে দাঁড়িয়ে শিক্ষার্থীদের অভিনব কায়দায় ফুটবল খেলায় উৎসাহ দিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুমুল সাড়া জাগানো ফেনীর স্কুল শিক্ষিকা সৈয়দা খালেদা আক্তার পলিকে যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ে আমন্ত্রণ জানালেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

 

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের বিশেষ নির্দেশনায় যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মুঠোফোনে সরাসরি কথা বলেছেন গিল্লাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এই সহকারী শিক্ষিকার সাথে। ফোনে পলি ও তার পরিবারের খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি প্রতিমন্ত্রী তাকে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের মূল স্রোতধারায় কাজ করার পরামর্শ দেন।

 

দীর্ঘ ফোনালাপে শিক্ষিকা পলি খেলাধুলার সাথে তার পুরো পরিবারের গভীর ও ঐতিহাসিক বন্ধনের কথা প্রতিমন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তার মুখে পারিবারিক ক্রীড়া ঐতিহ্যের বিবরণ শুনে এবং খেলাধুলার প্রতি তার অকৃত্রিম ভালোবাসা উপলব্ধি করে মুগ্ধ হন প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

 

প্রতিমন্ত্রী তাৎক্ষণিকভাবে পলির এই অদম্য উদ্দীপনা, মাঠের অভিজ্ঞতা এবং ক্রীড়াসুলভ মানসিকতাকে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের উন্নয়নে মাঠ পর্যায়ে কাজে লাগানোর ইচ্ছে প্রকাশ করেন।

 

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, ফেনী সদরের এই শিক্ষিকার পুরো পরিবারই ক্রীড়া ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ। তার বাবা সৈয়দ মমিনুল ইসলাম একসময় ঐতিহ্যবাহী মোহনবাগান ক্লাবের হয়ে ফুটবল খেলেছেন এবং ভাই সৈয়দ মামুনুল হাসান ছিলেন ফেনী জেলার নামী ফুটবলার। পলি নিজে এবং তার বোন ফেনী মহিলা ক্রীড়া সংস্থার হয়ে হ্যান্ডবল ও ভলিবল খেলেছেন। এমনকি তার প্রয়াত স্বামী গোলাম রব্বানী ছিলেন সকার ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা ও ফেনী জেলা ক্রীড়া সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্ট, যিনি বাংলাদেশ টেবিল টেনিস ফেডারেশনের সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।

 

উল্লেখ্য, গত ২৯ এপ্রিল ফেনী পিটিআই স্কুল মাঠে বৃষ্টির মধ্যে টুর্নামেন্টের উপজেলা পর্যায়ের সেমিফাইনাল ম্যাচ চলাকালীন গিল্লাবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শিক্ষিকা পলির উৎসাহ দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

 

দেশজুড়ে ব্যাপক ইতিবাচক সাড়া জাগানো সেই ভিডিওটি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নজরে এলে তার নির্দেশনায় গত ২৬ মে জেলা প্রশাসন ওই শিক্ষিকার বাসায় বিশেষ শুভেচ্ছা উপহার পৌঁছে দেয়। প্রধানমন্ত্রীর সেই বিশেষ শুভেচ্ছার পর প্রতিমন্ত্রীর সরাসরি এই ফোনালাপ এই গুণী শিক্ষিকাকে সম্মান জানানোর নিদর্শন হয়ে রইল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
bdit.com.bd