ফটোশপের নিখুঁত এডিটিংয়ে আমিনুল হককে জড়িয়ে অপপ্রচার, মাঠে নেই সেই ফেস্টুন!
ঢাকা-১৬ আসনের বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ও যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হককে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন করে অপপ্রচারের অভিযোগ উঠেছে। সম্প্রতি ভাইরাল হওয়া একটি ফেস্টুনের ছবিকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে তীব্র আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। বিএনপির নেতাকর্মীদের দাবি, এটি সম্পূর্ণ পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার।
ভাইরাল হওয়া ছবিতে ৮ বছর শিশু রামিসা ধর্ষণ মামলার এক অভিযুক্তের ছবি আমিনুল হকের নির্বাচনী ফেস্টুনে বসানো হয়েছে বলে দেখা যায়। তবে স্থানীয় সূত্র ও সরেজমিন অনুসন্ধানে এমন কোনো ফেস্টুন বা ব্যানারের অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি। অভিযোগ উঠেছে, অত্যন্ত নিখুঁত ফটোশপ এডিটিংয়ের মাধ্যমে ছবিটি তৈরি করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।
বিএনপির নেতাকর্মীরা বলছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই একটি কুচক্রী মহল প্রযুক্তির অপব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা চালাচ্ছে। তাদের দাবি, জনগণের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও আমিনুল হকের জনপ্রিয়তা ক্ষুণ্ন করতেই এই অপচেষ্টা।
প্রযুক্তি বিশ্লেষণে জানা যায়, অনেকে AI ও Graphic Edit-কে একই বিষয় মনে করলেও বাস্তবে দুটির মধ্যে স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে। AI-generated image সম্পূর্ণ নতুনভাবে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি হয়। অন্যদিকে Graphic Edit বা Photoshop-এ আগের কোনো আসল ছবি বা পোস্টারের নির্দিষ্ট অংশ পরিবর্তন, সংযোজন বা বাদ দেওয়া হয়। ভাইরাল হওয়া ছবিটি মূলত নিখুঁত ফটোশপ এডিটিংয়ের ফল বলেই দাবি সংশ্লিষ্টদের।
এসব সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। আমার রাজনৈতিক ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করতে প্রযুক্তি ব্যবহার করে মিথ্যা প্রচারণা চালানো হচ্ছে। জনগণ এসব গুজবে কান দেবে না।”
এদিকে পল্লবী থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের কয়েকজন কর্মী ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে জানান, সেখানে এমন কোনো ফেস্টুন বা প্রচারণামূলক ব্যানারের অস্তিত্বই নেই। তাদের দাবি, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিভ্রান্তিকর ছবি ছড়ানো হচ্ছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির অপব্যবহার করে ভুয়া ছবি ও তথ্য ছড়ানো নতুন ধরনের বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাই যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ছবি বা তথ্য বিশ্বাস না করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।